১. ব্যক্তিগত পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য:
নিজের পূর্ণ নাম, বাসার ঠিকানা, ফোন নম্বর, ব্যক্তিগত ই-মেইল বা জন্মতারিখ অপ্রয়োজনে শেয়ার করবেন না। এসব তথ্য অপব্যবহার হলে আপনার পরিচয় জালিয়াতি, প্রতারণা বা বিপদজনক যোগাযোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
২. ব্যাংকিং ও আর্থিক তথ্য:
আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, কার্ড নম্বর, কার্ডে লেখা CVV নম্বর, মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ডের পিন, ওটিপি কোড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য কখনোই চ্যাটবটে দেবেন না। এগুলো আর্থিক প্রতারণা ও পরিচয় জালিয়াতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
৩. পাসওয়ার্ড ও লগইন তথ্য:
আপনার কোনো ই-মেইল, ফেসবুক বা অফিস অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড, রিকভারি কোড কিংবা লগইন তথ্য কখনো শেয়ার করবেন না।
৪. অফিস বা প্রতিষ্ঠানের গোপন তথ্য:
আপনার কোম্পানির ক্লায়েন্ট ডেটা, চুক্তিপত্র, পাসওয়ার্ড, আর্থিক রিপোর্ট, পরীক্ষার প্রশ্ন বা অভ্যন্তরীণ নথি এআই টুলে দেওয়ার আগে অবশ্যই আপনার প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ও প্রাইভেসির নিয়ে সচেতন থাকুন।
৫. স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য:
এআই থেকে রোগ সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য নেয়া বা জানা যেতে পারে, কিন্তু রোগ নির্ণয়, ওষুধ নির্বাচন বা চিকিৎসা সংক্রান্ত গাইডলাইনের জন্য শুধু চ্যাটবটের উপর নির্ভর করবেন না। জরুরি প্রয়োজন হলে সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৬. অবৈধ, হয়রানিমূলক বা অনুপযুক্ত কনটেন্ট:
কারও ব্যক্তিগত তথ্য, অশ্লীল, হয়রানিমূলক বা অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করে, এমন কোনো কনটেন্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। এটি আপনাকে শাস্তিযোগ্য আইনি ঝুঁকিতে ফেলবে।
মনে রাখবেন: এআই চ্যাটবট একটি সহায়ক প্রযুক্তি, কিন্তু এটা আমাদের ব্যক্তিগত ডিজিটাল ভল্ট নয়। তাই প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করুন, সংবেদনশীল তথ্য নয়।

All Comments