বেসিক কম্পিউটার স্কিল
দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজগুলো কম্পিউটারের সাহায্যে করতে পারাই
হলো বেসিক কম্পিউটার স্কিল। যেমন- পড়াশোনার অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করা, পোস্টার বা ব্যানার
ডিজাইন করা কিংবা কোনো বিষয় উপস্থাপনের জন্য স্লাইড তৈরি করা।
এসব স্কিল শিখতে চাইলে ঘরে বসে ইউটিউব বা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের
সাহায্য নিতে পারেন। আবার চাইলে কোন ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে যেতে পারেন। শেখার
মাধ্যম যেটাই হোক, চাকরির প্রস্তুতি নিতে এবং কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজ সামলাতে কম্পিউটারের
বেসিক স্কিল কাজে আসে।
চলুন, জেনে নেওয়া যাক এমন ১০টি বেসিক কম্পিউটার স্কিল সম্পর্কে, যা চাকরিপ্রার্থীদের
জন্য উপকারী হতে পারে।
১. কম্পিউটার অপারেশন
আমাদের দেশে এমন ঘটনা প্রায়ই দেখা যায় যে অনেকে গ্র্যাজুয়েশন
শেষ করেও কখনো কম্পিউটার ভালোভাবে চালিয়ে দেখেননি। অথচ চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন থেকে
শুরু করে ভাইভা বোর্ডে খুব সাধারণ কিছু টেকনিক্যাল বিষয় সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। কম্পিউটার
চালনা না জেনে চাকরির আশা করাটা সত্যিই কঠিন।
অনেকেই কম্পিউটারে কিছু কাজ করতে পারলেও ফাইল কপি করা, ড্রাইভ
ব্যবহার করা কিংবা Windows-এর সাধারণ সেটিংস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন না। অথচ
কম্পিউটারে কাজ করার জন্য শুরুতেই এসব বিষয় শেখা প্রয়োজন।
কম্পিউটারের প্রাথমিক দক্ষতার মধ্যে শুধু চালু বা বন্ধ করাই নয়,
এর বিভিন্ন অংশ ও ফিচার কীভাবে কাজ করে, সেটাও বোঝা জরুরি। চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার
সময়ও কম্পিউটারের এসব সাধারণ বিষয় কাজে আসতে পারে।
কম্পিউটারের প্রাথমিক ব্যবহার শেখার জন্য যেসব বিষয় জানা দরকার:
●
কম্পিউটার চালু ও সঠিক নিয়মে বন্ধ করা
●
ফাইল ও ফোল্ডার তৈরি, কপি, পেস্ট, মুভ এবং ডিলিট করা
●
পেনড্রাইভসহ বিভিন্ন স্টোরেজ ডিভাইস ব্যবহার করা
●
This PC (আগের My Computer), C Drive ও অন্যান্য ড্রাইভ সম্পর্কে ধারণা রাখা
●
Recycle Bin থেকে ডিলিট হওয়া ফাইল ফিরিয়ে আনা
● Windows-এর সাধারণ সেটিংস ব্যবহার করা এবং সফটওয়্যার
ইনস্টল ও আনইনস্টল করার প্রাথমিক ধারণা রাখা
২. বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং
অফিসে বা যেকোনো জায়গায় কাজ করতে গেলে দ্রুত ও সঠিকভাবে টাইপ করতে
জানা খুবই দরকারি। বিভিন্ন চাকরির ইন্টারভিউতে বা কাজের জায়গায় আপনার টাইপিংয়ের স্পিড
কেমন, তা প্রায়ই দেখা হয়। আমাদের দেশের সরকারি-বেসরকারি যেকোনো অফিসে ইংরেজিতে টাইপ
করার পাশাপাশি বাংলায় সুন্দর করে টাইপ করতে জানাটা এখন প্রায় সব কাজের জন্যই লাগে।
অনেকে কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে একটা একটা আঙুল দিয়ে খুব ধীরে টাইপ
করেন, এতে কাজের গতি একদম কমে যায়। অন্যদিকে, কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়ে দ্রুত টাইপ
করার অভ্যাস যার থাকে, সে যেকোনো কাজ খুব অল্প সময়ে শেষ করে ফেলতে পারে। এই দক্ষতাটি
থাকলে ইন্টারভিউতে অন্যদের চেয়ে বেশ এগিয়ে থাকা যায়।
টাইপিংয়ে ভালো করতে চাইলে নিয়মিত টাইপিং প্র্যাক্টিস করতে হবে।
ইংরেজিতে কিবোর্ডে কীভাবে সঠিকভাবে আঙুল বসাতে হয় তা শেখা এবং বাংলায় টাইপ করার জন্য
পরিচিত অভ্র (Avro) বা বিজয় (Bijoy 52) ব্যবহার করা জানা দরকার। বোরিং ভাব দূর করে
টাইপিং স্পিড বাড়ানোর জন্য টাইপিং ক্লাব (TypingClub), টাইপিং মাস্টার (Typing
Master) কিংবা টাইপরেসার (TypeRacer)-এর মতো চমৎকার কিছু ওয়েবসাইট ও গেম ব্যবহার করতে
পারেন। এর পাশাপাশি কোনো ভুল ছাড়া দ্রুত যেকোনো ডকুমেন্ট, রিপোর্ট বা মেসেজ টাইপ করার
অভ্যাস গড়ে তোলাই হলো এই স্কিলের আসল উদ্দেশ্য।
৩. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) ও ডকুমেন্টেশন
চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটার স্কিলের মধ্যে Microsoft
Word অন্যতম। অফিসের চিঠি, আবেদনপত্র, রিপোর্ট, নোটিশ কিংবা CV তৈরি করার মতো অনেক
কাজেই এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হয়। তাই শুধু Word ওপেন করে লেখা টাইপ করতে পারলেই
হবে না, ডকুমেন্ট সুন্দরভাবে সাজানো এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফরম্যাট করতেও জানতে হবে।
ধরুন, অফিস থেকে আপনাকে একটি রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হলো। সেখানে
শিরোনাম ঠিক করা, লেখার ফন্ট ও সাইজ পরিবর্তন করা, গুরুত্বপূর্ণ অংশ বোল্ড করা, প্যারাগ্রাফের
দূরত্ব ঠিক রাখা এবং পেজের মার্জিন সেট করার প্রয়োজন হতে পারে। আবার কোনো ডকুমেন্টে
টেবিল যোগ করা, পেজ নম্বর দেওয়া কিংবা ফাইলটি PDF হিসেবে সংরক্ষণ করার কাজও করতে হতে
পারে। Microsoft Word-এর এসব ফিচার জানা থাকলে কাজগুলো নিজেই সহজে করতে পারবেন।
Word-এ দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট তৈরি করে অনুশীলন
করতে পারেন। যেমনঃ নিজের একটি CV তৈরি করা, অফিসের ছুটির আবেদন লেখা, একটি সাধারণ রিপোর্ট
তৈরি করা কিংবা টেবিলসহ কোনো তথ্য সাজানো।
৪. মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) ও সাধারণ হিসাব-নিকাশ
অফিসে কাজ করতে গেলে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করা, হিসাব-নিকাশ রাখা
কিংবা কাজের রিপোর্ট তৈরি করার প্রয়োজন হয়। এসব কাজ সহজে ও গুছিয়ে করার জন্য মাইক্রোসফট
এক্সেল (Microsoft Excel) বেশ কাজে লাগে। এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, যেখানে সারি
(Row) ও কলাম (Column) ব্যবহার করে তথ্য সাজিয়ে রাখা যায়। যেমনঃ কোনো প্রতিষ্ঠানের
কর্মীদের তালিকা, পণ্যের দাম, মাসিক আয়-ব্যয়ের হিসাব কিংবা দৈনিক বিক্রির তথ্য এক্সেলে
সংরক্ষণ করা সম্ভব।
এক্সেল দিয়ে শুধু হিসাব-নিকাশ নয়, বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট, বাজেট
এবং কাজের সময়সূচিও তৈরি করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী Chart বা Graph ব্যবহার করে ইনফরমেশনকে
গুছিয়ে প্রেজেন্ট করা যায়। তাই চাকরির প্রস্তুতির সময় এক্সেলের বেসিক কাজগুলো শেখা
উপকারী। শুরুতেই জটিল ফর্মুলা শেখার দরকার নেই; বরং সাধারণ তথ্য সাজানো, হিসাব করা
এবং একটি ছোট রিপোর্ট তৈরি করার মাধ্যমে অনুশীলন শুরু করতে পারেন।
৫. মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট (MS PowerPoint) ও প্রেজেন্টেশন
আমাদের ভার্সিটি লাইফে এমন অনেককেই দেখা যায়, যারা পুরো চার বছর
পার করে দেওয়ার পরও পাওয়ারপয়েন্টে একটা সাধারণ প্রেজেন্টেশন স্লাইড তৈরি করতে পারে
না। অথচ রিয়েলিটি হলো আপনি যখনই কোনো কর্পোরেট দুনিয়ায় পা রাখবেন, আপনাকে কাজের প্রয়োজনে
জীবনে অসংখ্য প্রেজেন্টেশন স্লাইড বানাতে হবে। পাওয়ারপয়েন্ট হলো স্লাইড তৈরির বেঞ্চমার্ক;
এর পাশাপাশি গুগল স্লাইডস কিংবা ক্যানভাও অনেক ব্যবহৃত হয়। আর এখন তো গামা এআই
(Gamma AI)-এর মতো আধুনিক এআই টুল ব্যবহার করে খুব কম সময়েই মানসম্মত স্লাইডের খসড়া
তৈরি করে ফেলা সম্ভব।
তবে টুল যা-ই হোক না কেন, প্রেজেন্টেশনের মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের
আইডিয়া বা তথ্যকে আকর্ষণীয় ও পরিষ্কারভাবে ফুটিয়ে তোলা। এর জন্য আহামরি জটিল ডিজাইনার
হওয়ার প্রয়োজন নেই। যেকোনো একটা টপিকের ওপর স্লাইড তৈরি করা, টেক্সট আর ভিজ্যুয়াল
বিষয়গুলো পরিচ্ছন্নভাবে সাজানো এবং স্লাইডটি সবার সামনে সাবলীলভাবে উপস্থাপন করতে পারার
মতো বেসিক স্কিল জানা থাকাটা প্রয়োজন।
৬. ইমেইল ব্যবহার ও প্রফেশনাল কমিউনিকেশন
আপনি কম্পিউটার চালাবেন অথচ ইমেইল সম্পর্কে ভালোভাবে জানবেন না—তা
তো হতেই পারে না! কম্পিউটারের অন্যতম মৌলিক একটি স্কিল হলো ইমেইল ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
জানা। প্রফেশনাল দুনিয়ায় অফিশিয়াল যোগাযোগের মূল মাধ্যমই হলো ইমেইল। তাই কীভাবে একটি
বিষয় ধরে প্রফেশনাল ইমেইল লিখতে হয়, ফাইল যুক্ত করতে হয়, প্রাপকের কাছে পাঠাতে হয় এবং
উত্তর দিতে হয়—এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকা খুবই জরুরি।
বিশ্বজুড়ে ফ্রিতে ইমেইল সেবা নেওয়ার জন্য জিমেইল (Gmail), আউটলুক
(Outlook), ইয়াহু মেইল (Yahoo! Mail), জোহো (Zoho), আইক্লাউড মেইল (iCloud Mail), প্রোটনমেইল
(ProtonMail), এওএল (AOL) ও মেইল ডট কম (Mail.com)-এর মতো বিভিন্ন সহজ প্ল্যাটফর্ম
রয়েছে। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যেকোনো চাকরির আবেদন কিংবা অফিসের প্রয়োজনীয় তথ্য
গুছিয়ে আদান-প্রদান করতে জানা যেকোনো চাকরিপ্রার্থীর জন্যই অনেক বড় একটি প্লাস পয়েন্ট।
৭. ইন্টারনেট ব্রাউজিং
চাকরি খোঁজা, অনলাইনে আবেদন করা কিংবা কাজের প্রয়োজনে কোনো তথ্য
জানার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। Google-এ সার্চ করার পাশাপাশি সঠিক তথ্য খুঁজে
বের করা এবং নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট চিনতে পারাও জরুরি। যেমন, চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখলে
সেটি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
ইন্টারনেট ব্যবহারে যেসব বিষয় শেখা প্রয়োজনঃ
●
Google-এ সঠিক Keyword দিয়ে তথ্য খোঁজা
●
নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট চেনা ও তথ্য যাচাই করা
●
প্রয়োজনীয় ফাইল ডাউনলোড ও আপলোড করা
●
অনলাইন ফর্ম পূরণ ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করা
● সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে চলা
৮. গুগল ওয়ার্কস্পেস (Google Workspace)
আজকালের অফিসে সবাই মিলে একসাথে কাজ করার জন্য গুগল ওয়ার্কস্পেস
দারুণ এক মাধ্যম। আলাদা করে ফাইল ইমেইল না করে সরাসরি গুগল ডক্স (Google Docs)-এ ডকুমেন্ট
লেখা, গুগল শিটস (Google Sheets)-এ প্রয়োজনীয় হিসাব বা ডাটা সাজানো আর গুগল ড্রাইভ
(Google Drive)-এ ফাইলগুলো ব্যাকআপ রাখা শিখলেই কিন্তু অনেকটা কাজ সহজ হয়ে যায়।
এছাড়া ফাইলের লিংক পাঠনোর সময় কাকে কতটুকু অ্যাক্সেস (View বা
Edit) দেবেন সেটা বোঝা এবং গুগল মিট (Google Meet)-এ জয়েন করে কথা বলতে পারাটাও বেশ
জরুরি। এই টুকটাক বিষয়গুলো জানা থাকলে যে কারো সাথেই রিমোটলি বা অফিসে বসে কাজ চালিয়ে
নেওয়া যায় একদম অনায়াসে।
৯. পিডিএফ (PDF) ফাইল ব্যবহার
অফিসের কোনো সিভি, অফার লেটার বা দরকারি ফাইল কাউকে পাঠাতে গেলে
অনেক সময় পিডিএফ ফাইল ব্যবহার করা হয়। কারণ এতে ফাইলের ডিজাইন বা ফন্ট ভেঙে যাওয়ার
ভয় থাকে না। যেকোনো ডক ফাইল থেকে পিডিএফে সেভ করতে পারাটা কম্পিউটার ব্যবহারের খুব
সাধারণ একটি কাজ।
এর পাশাপাশি একাধিক পিডিএফ ফাইল একসাথে করা, বড় সাইজের ফাইল সাইজে
ছোট (Compress) করা কিংবা পিডিএফে টুকটাক ইডিট করতে জানা প্রফেশনাল কাজের জন্য বেশ
কাজে দেয়। এই সহজ ট্রিকসগুলো জানা থাকলে কাজের সময় অনেক ঝামেলার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া
যায়।
১০. AI টুলসের ব্যবহার
এখন কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে অনেক ছোটখাটো সমস্যার সমাধান AI
টুলের সাহায্যেও করা যায়। যেমন, কোনো বিষয়ে বুঝতে সমস্যা হলে ChatGPT-কে জিজ্ঞেস করতে
পারেন, একটি ইমেইল কীভাবে লিখবেন তা জানতে পারেন কিংবা কোনো কাজের জন্য নতুন আইডিয়া
নিতে পারেন। তবে AI ব্যবহার করতে জানার অর্থ শুধু প্রশ্ন করা নয়, বরং কীভাবে নিজের
প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক নির্দেশনা দিতে হয়, সেটাও শেখা।
AI-এর সাহায্যে কাজ করলেও পাওয়া তথ্য যাচাই করে নেওয়া জরুরি। কারণ,
AI সব সময় সঠিক উত্তর দেয় না। তাই এর উত্তর সরাসরি ব্যবহার না করে বুঝে নেওয়া এবং প্রয়োজন
অনুযায়ী সংশোধন করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
(FAQ)
১. চাকরি পেতে কী কী বেসিক কম্পিউটার স্কিল জানা প্রয়োজন?
চাকরির প্রস্তুতি ও কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগে এমন বেসিক কম্পিউটার
স্কিলের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অপারেশন, বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং, Microsoft Word,
Excel, PowerPoint, ইমেইল ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, Google Workspace, PDF ফাইল
ব্যবহার এবং AI টুলসের ব্যবহার।
২. চাকরির জন্য Microsoft Word ও Excel শেখা কি জরুরি?
হ্যাঁ, অনেক অফিসের কাজে Microsoft Word ও Excel ব্যবহার করা হয়।
Word দিয়ে CV, আবেদনপত্র ও রিপোর্ট তৈরি করা যায়। অন্যদিকে, Excel দিয়ে তথ্য সাজানো,
হিসাব-নিকাশ রাখা এবং সাধারণ রিপোর্ট তৈরি করা যায়।
৩. চাকরির জন্য বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং শেখা কেন প্রয়োজন?
অফিসের চিঠি, আবেদনপত্র, রিপোর্ট, ইমেইল ও অন্যান্য ডকুমেন্ট তৈরির
জন্য বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং কাজে লাগে। নিয়মিত অনুশীলন করলে টাইপিংয়ের গতি ও নির্ভুলতা
বাড়ানো সম্ভব।
৪. ঘরে বসে কি বেসিক কম্পিউটার স্কিল শেখা যায়?
হ্যাঁ, YouTube ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে ঘরে বসেই
বেসিক কম্পিউটার স্কিল শেখা যায়। তবে শুধু ভিডিও দেখার পাশাপাশি কম্পিউটারে নিয়মিত
অনুশীলন করাও জরুরি।
৫. শিক্ষার্থীদের কখন থেকে কম্পিউটার শেখা শুরু করা উচিত?
শিক্ষার্থীরা উচ্চমাধ্যমিক বা কলেজজীবনের শুরু থেকেই কম্পিউটারের
প্রাথমিক ব্যবহার শেখা শুরু করতে পারে। এতে পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে চাকরির প্রস্তুতি
নিতেও সুবিধা হয়।
৬. চাকরির প্রস্তুতিতে AI টুলস কীভাবে সাহায্য করতে পারে?
ChatGPT-এর মতো AI টুল দিয়ে বিভিন্ন বিষয় বোঝা, ইমেইল লেখার ধারণা
নেওয়া এবং কাজের নতুন আইডিয়া পাওয়া যায়। তবে AI থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করে নিজের প্রয়োজন
অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।

All Comments